Featured Post

মাউন্ট এভারেস্টের অজানা রহস্য।। বাংলাদেশ

মাউন্ট এভারেস্টের অজানা রহস্য।। বাংলাদেশ - তথ্য সূত্র ইন্টারনেট মিডিয়া  ছবি- মাউন্ট এভারেস্ট  মাউন্ট এভারেস্টের তথ্য - পরিচিত, বিশ্বের  সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ । এই শৃঙ্গটি  হিমালয়ের   মহালঙ্গুর হিমাল  পর্বতমালায় অবস্থিত। [ ৩ ] [ ৪ ]  সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা ৮,৮৪৮ মিটার (২৯,০২৯ ফু) হলেও পৃথিবীর কেন্দ্র হতে এই শৃঙ্গের দূরত্ব সর্বাধিক নয়। [ ৫ ]   চীন  ও  নেপালের  আন্তর্জাতিক সীমান্ত এভারেস্ট পর্বতের শীর্ষবিন্দু দিয়ে গেছে।  এভারেস্ট বিজয়ী মূসা ইব্রাহিম জানিয়েছেন এভারেস্ট শৃঙ্গের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ হলো ৩০ ফুট ও ৬ ফুট। ১৮৫৬ খ্রিষ্টাব্দে  ভারতের মহান ত্রিকোণমিতিক সর্বেক্ষণের  ফলে এভারেস্ট পর্বতের (যা তৎকালীন যুগে ১৫ নং পর্বতশৃঙ্গ নামে পরিচিত ছিল) উচ্চতা নির্ণয় করা হয় ৮,৮৪০ মি (২৯,০০২ ফু)।  ১৮৬৫ খ্রিষ্টাব্দে  ভারতের সার্ভেয়র জেনারেল   অ্যান্ড্রিউ স্কট ওয়াহর  সুপারিশে  রয়েল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটি  তার পূর্বসূরী  জর্জ এভারেস্টের  ১৫ নং পর্বতশৃঙ্গর নাম পরিবর্তন করে...

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত সঠিক গাইডলাইন।। ২০২৫

 


ছবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা 

"জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত সঠিক গাইডলাইন"।। ২০২৫

বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । বিগত সাল গুলো থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাকসেস রেটিং ও শিক্ষা , ঈমান ও শৃঙ্খলা এই নীতি বাক্য নিয়ে শুরু হয় এক নতুন শিক্ষানীতি যার ফলশ্রুতিতে আজকের এই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ।




ভর্তির জন্য জানা জরুরি -

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কি কি বিষয় আছে?

প্রাণ ও ধরিত্রী বিজ্ঞান অনুষদ

ফার্মেসী বিভাগ

অণুজীববিজ্ঞান বিভাগ

প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ

জিনতত্ত্ব প্রকৌশল ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগ

প্রাণিবিদ্যা বিভাগ

উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ

মনোবিজ্ঞান বিভাগ

ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ





"জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি তথ্য ২০২৪-২০২৫"

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সার্কুলার ২০২৫

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি

নতুন বিন্যাস:

 * ৩১ জানুয়ারি: চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা।

 * ১৪ ফেব্রুয়ারি: সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা।

 * ১৫ ফেব্রুয়ারি: কলা ও আইন অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা।

 * ২২ ফেব্রুয়ারি: বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা।

 * ২৮ ফেব্রুয়ারি: বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা।

অন্যভাবে বলতে পারেন:

 * চারুকলা অনুষদ: ৩১ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষা।

 * সামাজিক বিজ্ঞান: ১৪ ফেব্রুয়ারি ভর্তি পরীক্ষা।

 * কলা ও আইন: ১৫ ফেব্রুয়ারি ভর্তি পরীক্ষা।

 * বিজ্ঞান ও লাইফ সায়েন্স: ২২ ফেব্রুয়ারি ভর্তি পরীক্ষা।

 * বিজনেস স্টাডিজ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ভর্তি পরীক্ষা।

সংক্ষিপ্তভাবে:

 * চারুকলা: ৩১/১

 * সামাজিক বিজ্ঞান: ১৪/২

 * কলা ও আইন: ১৫/২

 * বিজ্ঞান ও লাইফ সায়েন্স: ২২/২

 * বিজনেস স্টাডিজ: ২৮/২



ভিডিও দেখুন 

               



"জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন "


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন: এক বিস্তারিত বিশ্লেষণ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করে। তবে ভর্তি পরীক্ষা পাশ করা সহজ কাজ নয়। কারণ প্রতিযোগিতা অত্যন্ত তীব্র। তাই ভর্তি পরীক্ষার জন্য যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

মানবন্টন:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন প্রতিবছর কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে সাধারণত পরীক্ষায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়:

 * বাংলা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যাকরণ, বানান, রচনা, অনুবাদ ইত্যাদি বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

 * ইংরেজি: ইংরেজি ভাষার উপরও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়। গ্রামার, ভোকাবুলারি, রিডিং কমপ্রিহেনশন ইত্যাদি বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

 * গণিত: বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে গণিত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বীজগণিত, জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি ইত্যাদি বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

 * বিজ্ঞান: বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞান বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

 * সামাজিক বিজ্ঞান: সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে ইতিহাস, ভূগোল, নাগরিক শাস্ত্র ইত্যাদি বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

পরীক্ষার ধরন:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সাধারণত বহুমূল্য প্রশ্নভিত্তিক হয়। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে উত্তরপত্রে চিহ্নিত করতে হয়।

পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি:

 * পাঠ্যবই: পাঠ্যবইগুলো ভালোভাবে পড়া এবং বোঝা।

 * নোট: নোট তৈরি করে পড়াশোনা করা।

 * প্রাক্টিস টেস্ট: বিভিন্ন প্রাক্টিস টেস্ট দেওয়া।

 * মডেল টেস্ট: মডেল টেস্ট দেওয়া।

 * পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র: পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করা।

 * কোচিং সেন্টার: কোচিং সেন্টারে যোগদান করা (ঐচ্ছিক)।

উপসংহার:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা পাশ করার জন্য ধৈর্য, পরিশ্রম এবং সঠিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। যদি আপনি সঠিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করেন তাহলে অবশ্যই আপনি সফল হবেন।

আরও বিস্তারিত জানার জন্য আপনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন।

মনে রাখবেন: এই তথ্যগুলি সাধারণ ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল নোটিশ দেখুন।

আপনার সফলতা কামনা করি!

আপনার আরো কোন প্রশ্ন থাকলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

কীভাবে এই তথ্যটি আরও উন্নত করা যায় সে সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকলে জানান।

আপনি কি জানতে চান:

 * কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের মানবন্টন?

 * ভর্তি পরীক্ষার তারিখ?

 * আবেদনের পদ্ধতি?

 * অন্য কোন বিষয়? 



ওয়েব সাইট: www.jnu.ac.bd


"জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ইউনিটের সাবজেক্ট "



মন্তব্যসমূহ